Featured

‘কবির নামাজ’ থেকে কয়েকটি কবিতা

কবিতার ভেতরে কবিতার ভেতরে গিয়ে আজান দিতে চাই।কিন্তু কোনো মসজিদ পাই না বলে ফিরে আসি।বারান্দায় গিয়ে আজান দিই 'আল্লাহু আকবর''আল্লাহু আকবর।'দূরে দাঁড়িয়ে থাকে- বিদেশি পাইনগাছ।বলে- যাও মিয়া, ঘরের ভেতরে যাওনিজের ঘরে গিয়া বিবিরে চুমা খাও।আমি নাছোড় বান্দা,আয়াতে বিশ্বাস করিকোরানের ভাষার মোজেজা বুঝি।আবার ‘আল্লাহু আকবর’ বইলাশাদা কাগজে কলম চালাই।এইবার একটা লাল মসজিদ খুলে যায়বাংলা শব্দ, বাক্য, … Continue reading ‘কবির নামাজ’ থেকে কয়েকটি কবিতা

‘সিজদা ও অন্যান্য ইসরা’ কবিতা বইয়ের ফ্ল্যাপ থেকে

কবির চেতনাপ্রবাহে থাকে কবির কাল, কবির মানস ও ভূ-বাস্তবতা। থাকে জন্ম, মৃত্যু, সৃষ্টি আর স্রষ্টা-ধারণা সম্পৃক্ত বিষ্ময়। সেখানে চলে পরম সত্তাকে চেনা ও জানার, আশা ও নিরাশার ভ্রমণ, যুগপৎ শান্তি ও রক্তপাতের চাঁদমারি। কিন্তু সবকিছুর পরে কবির উপলক্ষ ভাষা মানে কবিতার ভাষা। সেই ভাষা ধরে, কবিতার গ্রাউন্ড তৈরি হয়। সেই জায়গাতে দাঁড়িয়ে কবি আবু সাঈদ … Continue reading ‘সিজদা ও অন্যান্য ইসরা’ কবিতা বইয়ের ফ্ল্যাপ থেকে

প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘শীতমৃত্যু ও জলতরঙ্গ’ থেকে কয়েকটি কবিতা

আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘শীতমৃত্যু ও জলতরঙ্গ’ প্রকাশ করার পেছনে ছোট একটি ঘটনা আছে। আমি ১৯৯৪ সালের দিকে জামালপুর প্রধান ডাকঘর থেকে বদলি হয়ে ঢাকা সদর পোস্ট অফিস, বাংলাবাজার-এ আসি। পুরনো ঢাকায় বড় হয়েছি। বাংলাবাজার আমার চেনা জায়গা। কিন্তু এখানে এসে মনে হল- এমন করে কাছ থেকে এমন ব্যস্ত বইবাজার আগে দেখা হয়নি। প্রধান ডাকঘরের সামনে, … Continue reading প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘শীতমৃত্যু ও জলতরঙ্গ’ থেকে কয়েকটি কবিতা

পলাশী ও পানিপথ– কবিতার আলো নাকি থোকা থোকা রক্তজবা

আমার তৃতীয় কবিতার বই ‘পলাশী ও পানিপথ (২০০৯)’ আমার তৃতীয় কবিতার বই ‘পলাশী ও পানিপথ’ প্রকাশিত হয় ২০০৯ সালে, বইমেলায়। বোদ্ধা কবিতা-পাঠক এবং সু-সমালোচকদের মতে- এই কাব্যগ্রন্থ ২০০৯ সালে প্রকাশিত কবিতার বইয়ের মধ্যে একটা অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রকাশনা। নিসর্গ ২৬ সংখ্যা, এপ্রিল ২০১১১-এ ছাপা নব্বইয়ের দশকের কবিতার ওপর সামগ্রিক আলোচনা করতে গিয়ে অধ্যাপক তপোধীর ভট্টাচার্য, তার … Continue reading পলাশী ও পানিপথ– কবিতার আলো নাকি থোকা থোকা রক্তজবা

‘নো ম্যানস জোন পেরিয়ে’ থেকে কয়েকটি কবিতা

Featured

চিঠিভূমি চিঠি লেখার পাতাভরে পুতুলঘর গরুগাড়ি ধুলিপথ নাম না জানা ছায়াপ্রাচীনের ইচ্ছা। লালনীল রোলটানা জলরাস্তা- ডাকঘরের জানালা ফাঁক করে নিয়ে যায় মেয়েদের স্কুলে। পিটিমাঠে হাত বদল- জ্বলছে শরীর লুকানোর বাসনা! দেখছি কামিজের নিচেও শহীদ হয় ঘরেফেরা রাত্রিতস্কর। বেহালা বাজানো হরিণের ভাষা - রাতভর অবসর জন্মদান,চিকিৎসা ব্যবস্থা এইসব লীলাখেলা শান্ত হয় চিঠিতে। শৈশবের হারিয়ে যাওয়া বলের … Continue reading ‘নো ম্যানস জোন পেরিয়ে’ থেকে কয়েকটি কবিতা

‘শাদা সন্ত মেঘদল’ থেকে কয়েকটি কবিতা

অ্যাকোরিয়াম ২  মাথার উপর দিয়ে ভেসে আসা হাঙর আমাকে কামড়াবে না হাত দিয়ে ধরার চেষ্টা করি- হা করে তাকিয়ে আছে শিলালিপি দাঁতের নিবিড় কারুকাজ। জলদেশে ঘুমিয়ে থাকা সমুদ্রঘাস ফুটে ওঠা নিঝুম বনপাতার দোলাচল- গ্রামবাঙলা। আমি নিশ্চিত – কলহপ্রবণতা শেষ জলদালানের কাছে তারামাছের আনন্দগান দোল খায় তেড়ে আসা হাঙরের নিশানায়। হারিয়ে যাওয়া মাছের ভবিষ্যৎ কতো নিরাপদ … Continue reading ‘শাদা সন্ত মেঘদল’ থেকে কয়েকটি কবিতা

‘জল্লাদ ও মুখোশ বিষয়ক প্ররোচনাগুলি’ থেকে কয়েকটি কবিতা

একটা কবিতা থেকে আর একটা কবিতার জন্ম না নিলে বুঝতে হবে এইটা একটা মৃত কবিতা, ভবিষ্যৎ-বিমুখ কবিতা। আর একটা কবিতা জীবিত হয় তার শেকড়ের রস পান করে অর্থাৎ তার নিজস্ব ভূমি, পরিবার, স্মৃতিচিহ্ন, ইতিহাস, ঐতিহ্যের পানি পান করে। আমার কবিতা উন্মূল নয় কখনো, তার ক্যানভাস জুড়ে আছে আমার স্বদেশ, আমার ‘ ছায়াপরিবার’ তার রক্তকথা, জন্মরেখা।  … Continue reading ‘জল্লাদ ও মুখোশ বিষয়ক প্ররোচনাগুলি’ থেকে কয়েকটি কবিতা