ভারি মেঘ জমেছে জানালার কিনারে
তার দাঁড়ানো কলসের আকার!
পর্দার আড়ালে আরো চিত্রিত দুধ
দুধের চাকু -বুক বরাবর।
এরকম একলা রোয়া ওঠা
লাল সবুজ পেঁপেতে মাছি
আর ভোঁ ভোঁ হিংসাখেলার বাঁশি।
এভাবে সীমানা যখন উন্মুক্ত
এক নখদন্তহীন বাঘ বসল
মায়াবিড়ালে!
##
কোথাকার কোন জল কোথায় এসে লাগল
শান্ত হাতের খনি- রক্ত দেজাভুঁ!
গড়িয়ে নামছে সন্ধ্যালেখার
সূর্য-চাকতি। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আজ
পথের নাম দাও।
ডিমে পাওয়া
পাখির নামে আর একটি মহাদেশ।
যেন ভেজা মাটির কোলে ডিনামাইট নিয়ে
শুয়ে থাকা। এইসব বিলীয়মান
এইসব ফানা বিল্লাহ
তুষারের ভেতরও
মাছ মারার হার্পুন!
##
না দেখার ভেতর সমস্ত চোখ
তাকানোর ভঙ্গি থেকে
আরো সব অন্ধ
তবুও যত গোলাপের অভ্র
হাড়ের মিথেনে।
কাছে থাকা অজগর ও হাতি
ধ্বংস জাগে জাতির সুরে
এই পহেলা এই লুকানোদের হাতে
ধীরে ধীরে কোন সিমেট্রির
পাখি!
##
পাথরলেখাদের সাথে বসে থাকি
পায়ে পায়ে খরা ও যমুনা।
দূর থেকে গন্ধ আসে
গন্ধের কাঁকড়া তলোয়ার
ঘুমন্ত জিহবা
জিহবার পথ
নিষিদ্ধ এই চোরাবালি।
তবুও ভায়োলিন জাগে অলস দুপুরে
আর রক্তপিপাসা কাঁপে
গুপ্ত মিনারে।
##
দেখে দেখে পাগল লিখব
লাফিয়ে ওঠা শত্রুসেনাদের
ঘুমের ভেতরে চিঠি।
এমন করে
গলে পড়ছে এই নিকেলের তাঁবু।
তার তাপে
জাজ্জ্বল্যমান শহীদের পিস্তল!
বলো- কীভাবে আজ ডাইরির পৃষ্ঠাগুলো
জেলখানার ছাদ?
আর দীর্ঘচুল বোবা সবুজের
পেীঁছে দিচ্ছে পথ হারানোদের দলে।
এত গোলাপের মুখ তোমার
রক্ত বেয়ে পড়ছে কলিজা থেকে!
##
পরের কীয়াতে সব পাখি সকাল
সব ডানার হলুদ।
চোখ থেকে নামে শহীদের কবর
ছুটে আসছে
গুলির নিমফাঁদ।
পড়ছি তো পড়ছি
এই হা বারুদের লাল!
যত যাওয়া তত তার না ফেরার
আয়না! আর চোখে চোখে
আসামির প্রলাপ।
ফুটছে গোলাপ অতি সাবধান
লুকিয়ে থাকো আর গন্ধ বলে
উড়ে আসছো লাইলাকের সাপ!
##
ভাষা থেকে আর এক না-ভাষায় বাহরাম
তুলবো এসেনিনের লাল। হারাকিরি
হারাকিরি
শহীদ পাখিতে সব কথা সয়লাব।
আজ কোন গোপন উঠছে
সাদা ফেনাদের মমিতে!
লুকিয়ে থেকে
গুপ্ত সব হাঙ্গরের কয়েদ করি
কোথায় আজ জমে উঠছে বাতাসের
ঘোড়াগুলি! তুমি অবসরে
জামা খুলতে খুলতে পথ দেখাও
আর দাউ দাউ করে জ্বলে উঠছে
ভাষার সব গ্রাম!
৩১/০১/২০১৫

Wonderful