লাল গুলির দোস্তানা

shade

কিনারা

জলমেয়েদের আবলুশে জেগে থাকি
তুমি কাক তুমি পক্ষী
উড়িয়ে আনো ভাত কুড়ানোর ধী।
গানের পাখিরা বেহালা করছে অবিরত
তবুও আমি আর জাগবো না জেনে রাখো।
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ভাষা খুঁজি
হা গোলাপ হা জবা–গুচ্ছ তিতির
গুঁজে দিই জলবনহুরের ছাতিতে।

শাদা তিমির উপমা আজ এই ভোরের সকাল
ঘুমের কাঁকড়ারা জরায়ুতে লুকায়
তুলতুলে মাছবাচ্চাদের।
এখানে বালির ভাষা- বালির মল, বালিবিবাহ।
যা পাই আজ তাই ঠোঁটে তুলি-
তার নাম জেলিফিশ তার নরম নরম বিপাশা।
তুমি আর মানুষভর্তি হলরুমের কথা বলো না
যার যেমন হাততালি দিক এইসব নৃত্যমুখর
সন্ধ্যার লেগুনে।
লাল গুলির দোস্তানা

আত্মহত্যাগামি কবির হাড় থেকে
শিশু ও চারাগাছ
এক স্বল্প আয়ুর চিঠিলেখা
সমস্ত সবুজ থেকে উঁচিয়ে পড়ছে
লাল গুলির দোস্তানা ।

বাজু হারানো এই দিকপাল
প্রস্তর যুগের ঘোড়া ও কফিন।
তুমি লক্ষণ সেনের গ্রাম থেকে আসো
আর এক দীর্ঘ হাতের মৌসুম দেখে
পালাও।
খেলা করে দূরে জয় জয়তুনের গান
আহা স্বল্প ঋতুর মেষপালক
তোমার কর্পূর থেকে দুধমাখা
লুটেরা ও ডাকাত ।

One thought on “লাল গুলির দোস্তানা

Leave a Reply