তিনটি কবিতা- আবু সাঈদ ওবায়দুল্লাহ

dumur

নতুন পাণ্ডলিপির দিনে

মোরগের জায়গায় লাল
ঝুল বারান্দায় তন্দ্রাতারা, ফুল।
ছদ্মঝর্না, মার্বেল গোল মেয়েদের তমাল।
ঠেলে ঠেলে উঁচিয়ে আসছে কলম্বাসের জাহাজ
তাতার এই মানুষরূপ
চাঁদ চাঁদ মাছেদের ছায়াসাঁতার।

সূর্যলেখা জমছে আগামীদের কবরে
শব্দের ভেতর শব্দ, প্রস্তরের ভেতর প্রস্তর
উইডিবি, একটা একটা ফুলগাঁথা
একটা একটা নিকোটিনের ঠোঁট
ছড়িয়ে পড়ছে লুকানো বিবাহের
যোনিফুলে।

৬/১১/২০১৪

অন্ধকারে

রক্তনাশের পরও ঘুমিয়ে আছে
শীতগ্রস্ত আঙুর ফলেরা।
যেখানে দাঁড়িয়ে পানি ঢালছি
সেখানে অনেক দেয়ালের দূর
আরো দূর- জলতরুণ শুশুক, মাছেরা।
শুধু ঘনায়মান তীর্থকেন্দ্রে
পাতার ভেতরে
নড়ে উঠে বাঘতাড়িত দুটি
স্তনপায়রা।

দূরে দাঁড়ানো শেয়ালের চোখে
এইসব ক্ষত্রীয়!
জড়ানো শরীর আরো হিংস্র, কুরুক্ষেত্র।
কখন মানুষ চলে যাবে
কখন ঝাঁঝাঁ অন্ধকারে বসে থাকবে
ফেলে যাওয়া ফলেদের রানি!

১২/১১/২০১৪

কিছু সুন্দর

কিছু জেলখানা পড়ে থাকে বিকালের
গল্পে। আর শূন্যস্থানে তন্দুরের ফুল।
উড়ে আসে লম্বা গলার জিরাফ
আগুন।

বায়ুবলি বায়ুবলি, কে আমাকে চড়ায়
এই লক্ষ তারার হেমিস্ফিয়ার?
গুপ্ত খুন এই ব্যবধান- হিম ডাকাতচোখ
পিছলে পড়ছি সব হারানোর
ব্লাকহোলে।

যুদ্ধ করে ফিরে আসে সব ভাষার গোলাপ
আর কেউ জলে হাসিস গাছ লাগায়।
ইংরেজ কবির কথা সত্য হয় না
গলে যাওয়া স্তনে!

২০/১১/২০১৪

Leave a Reply