আবু সাঈদ ওবায়দুল্লাহ
মেয়ে কবিদের কবিতায়- অতি বিশেষণের ভার দেখে
আমার চিড়িয়াখানার হাতি আর একটা বিষহীন বোকা
অজগরের কথা মনে আসে। ওরা কী সহজে ‘নীলাভ আকাশ’
আর ‘শীতার্ত সন্ধ্যা’ মেখে দেয় বুকের দুধ-মমিতে। আর্শ্চয্য!
তারা ভাবতেই পারে না যে- এইসব নিরাপদ আলো আর
আলেয়ার বাইরে- আরো কিছু গাছ আর গহন
খুলে হাতের কামিলে!
আরো কথা হলো- তারা গাছ না লিখে ‘বৃক্ষ’ বলে! এই ভেবে
যে- কবি বাল্মীকি আর মধুসূদনের মাংসগন্ধ পাওয়া যাবে!
তার চেয়ে ওদের ছবি দেখলে আমাকে কেন জানি বেশ
নিরপরাধ লাগে। হাতে একটা কবুতর বসে আর ডিগবাজি খায়।
ওদের রানওয়ে গ্রীবা ওদের বুকের মালভূমি আহা! কীভাবে একটি
খরখোশ ছুটে আসে সেই নগ্ন পরিস্থান থেকে। আর আমার সুয়েটারের
খামারে লুকায়!
আমি এই বিষয়ে না ভাবার কথা মনে করিয়ে
দিলেই তো তাদের কিছু যায় আসবে না! তারা আবারো মিষ্টি মিষ্টি
কল্পনা করবে। ‘হিমেল বনভোজন’ আর ‘গোলাপি লেগুনের গল্প’
লিখে দেবে অমর জীবন পাওয়া- কামমুগ্ধ কচ্ছপদের সামনে!
২২/১১/২০১৩
